সকালের নাস্তায় একটি কলা খাওয়ার ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা!

সবচেয়ে জনপ্রিয়, পরিচিত এবং সস্তা একটি ফল হল “কলা”। সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। সকালের নাস্তায় কী ফল খেলে ভালো হয় এটা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। খাবার তালিকায় কোন খাবারটা রাখলে ঝামেলা ছাড়াই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর নাশতা হবে এটা নিয়েও অনেকেই ভাবেন। সকালের নাস্তায় হোক কিংবা বিকেলের নাস্তায় ফল খাওয়ার জন্য কলা একটি আর্দশ ফল। কলায় রয়েছে ভালো মাত্রার ক্যালরি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, খনিজ লবণ আরোও অনেক পুষ্টি উপাদান। সকালের নাস্তার পুষ্টিগুণ বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে প্রতিদিন অন্তত একটি করে কলা খান।

১। ওজন হ্রাস:- অনেকে মনে করেন কলা ওজন বৃদ্ধি করে। এটি ভুল ধারণা। একটি ছয় ইঞ্চি কলায় ৯০ ক্যালরি থাকে। এটি আঁশযুক্ত খাবার হওয়ায় সহজে হজমযোগ্য। খাবার খাওয়ার আগে একটি কলা খেয়ে ফেলুন। এটি আপনার বেশি খাওয়া প্রতিরোধ করবে। ২। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:- উচ্চ রক্তচাপের মূল কারণ সোডিয়ামের অনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ। কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। শরীরে পটাসিয়াম এবং সোডিয়ামে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইলে প্রতিদিন সকালে একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

৩। বুক জ্বালাপোড়া দূর:- কলা বুক জ্বালাপোড়া দূর করতে বেশ কার্যকর। কলাতে প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর আছে যা পাকস্থলীর আলসার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে নিয়মিত কলা খাওয়ার কারণে এটি পাকস্থলীতে ঘা হওয়া প্রতিরোধ করে। ৪। পিএমএস নিয়ন্ত্রণ:- কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ আছে যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। যা পিএমএস PMS( Premenstrual syndrome)কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে। এটি মাসিকের সময়কাল পেট ব্যথা, বুক ব্যথা দূর করে থাকে। তাই এইসময় নিয়মিত কলা খাওয়া উচিত। ৫। হার্ট সুস্থ রাখতে:- উচ্চ আঁশযুক্ত কলা হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। University of Leeds in UK এর মতে উচ্চ আঁশযুক্র কলা হৃদরোগ হওয়া ঝুঁকি হ্রাস করে। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় একটি কলা রাখুন।

বাম চোখ কাঁপা আসলেই কি কোনো অশুভ ইঙ্গিত?

চোখের পাতা লাফাচ্ছে মানে আপনার বিপদ আসছে। কোনও কুসংস্কার নয়৷ বাস্তবিক অর্থেই বাম চোখের পাতা কাঁপা মানে সমস্যার লক্ষণ৷ চোখের পাতা কাঁপার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে৷ বিজ্ঞান জানাচ্ছে, বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণেই মূলত চোখের পাতা কাঁপে। চোখের পাতা লাফানো একধরনের অসুখ৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা যায়, ‘মায়োকিমিয়া’ পেশীর সংকোচনের কারণেই চোখের পাতা লাফায়।

এছাড়া জ্বর, সর্দি, কাশির মতো চোখের পাতা কাঁপাও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার বাইরের লক্ষণ। দুই একবার হঠাৎ চোখের পাতা লাফালে চিন্তার কিছু নেই৷ কিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷ কি কি কারণে বাম চোখ বা ডান চোখের পাতা কাঁপে আসুন আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নেই- ১। দৃষ্টি সমস্যা- দৃষ্টিগত কোনও সমস্যা থাকলে চোখের ওপর চাপ পড়তে পারে৷ টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের আলোও চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে৷ আর এই সব সমস্যা থেকে চোখের পাতা লাফানোর উপসর্গ দেখা দিতে পারে৷ ২। মানসিক চাপ- কঠিন মানসিক চাপের ভেতর দিয়ে গেলে শরীর বিভিন্ন উপায়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়৷ চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে অনেক ক্ষেত্রে৷

৩। ক্লান্তি- পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোনও কারণে ক্লান্তি থেকেও চোখের পাতা লাফানো শুরু হতে পারে৷ ঘুমের অভাবে চোখের পাতা লাফালে পরিমিত ঘুম হলেই সেরে যাবে৷ ৪। অ্যালার্জি- যাদের চোখে অ্যালার্জি আছে, তারা চোখ চুলকায়৷ এতে চোখ থেকে জলের সঙ্গে কিছুটা হিস্টামিনও নির্গত হয়৷ হিস্টামিন চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ি বলে মনে করা হয়৷ ৫। ক্যাফিন- কোনও কোনও বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত পরিমাণে পান করলে চোখের পাতা লাফাতে পারে| চোখের পাতা লাফাচ্ছে তাই নিশ্চই কোনো খারাপ খবর আসতে পারে। এই ধরণের চিন্তা না করে যদি শারীরিক সমস্যা থাকে সেটা দূর করুন। নয়তো কিন্তু আপনার কুসংস্কারই সত্যি হয়ে যেতে পারে৷